Thursday, 30 January 2025

চট্টগ্রাম কিংস বনাম সিলেট স্ট্রাইকার্সের খেলায় একনজরে বিপিএল ২০২৫

https://www.profitablecpmrate.com/j2jvvq1a?key=d61fe2b77b726e73055b91c7a2ac68a2

 চট্টগ্রাম কিংস বনাম সিলেট স্ট্রাইকার্সের খেলায়  একনজরে বিপিএল ২০২৫





https://www.profitablecpmrate.com/axrkyi03?key=bc8760893e6acd287e899422146ec568
https://www.youtube.com/watch?v=eisoNTSDtZI

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১১তম আসরের ৪০তম ম্যাচে মুখোমুখি হবে চট্টগ্রাম কিংস ও সিলেট স্ট্রাইকার্স। বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে এই ম্যাচটি দিনের দ্বিতীয় ম্যাচI ফ্যান্টাসি ক্রিকেট টিপস, পিচ রিপোর্ট এবং ম্যাচের নানা খুঁটিনাটি জানানো হল। এই টুর্নামেন্টে নিজেদের শেষ চার ম্যাচের তিনটিতে হেরে সমস্যায় পড়েছে চট্টগ্রাম কিংস। 
https://www.profitablecpmrate.com/a9ahfyru?key=61f1aab06da496d6dc79f6dfaf1985a9

সম্প্রতি ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে তারা। বর্তমানে বোর্ডে ১০ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ স্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম। অন্যদিকে, সিলেট স্ট্রাইকার্সের অবস্থা এই টুর্নামেন্টে আরও খারাপ, এই টুর্নামেন্টে তাদের এগারোটি ম্যাচের নয়টিতে হেরেছে। শেষ ম্যাচে দরবার রাজশাহীর বিপক্ষে ৫ উইকেটে হেরেছে তারা। বোর্ডে ৪ পয়েন্ট নিয়ে সিলেট স্ট্রাইকার্স বর্তমানে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে রয়েছে।
 https://www.profitablecpmrate.com/a9ahfyru?key=61f1aab06da496d6dc79f6dfaf1985a9

পিচ রিপোর্ট এবং টস প্রেডিকশন

ঢাকার শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের পিচ ব্যাটসম্যানদের জন্য সহজ পিচ নয়। তবে বল পুরোনো হয়ে গেলে এই পিচ ফাস্ট বোলারদের বিপক্ষে। স্পিনাররা পরের দিকে ভালো টার্ন পায়। এছাড়াও, ভাল ধীর গতির পেসাররা বল নিয়ে এখানে ভালো করতে পারে।

- সাম্প্রতিক রেকর্ডের উপর নির্ভর করে টস জেতা অধিনায়ক এই মাঠে প্রথমে ব্যাট করতে পছন্দ করবেন।

https://www.profitablecpmrate.com/a9ahfyru?key=61f1aab06da496d6dc79f6dfaf1985a9

Wednesday, 29 January 2025

AUS vs SL - Live Cricket live, Commentary

https://urlhub.pro/b18641 

AUS vs SL - Live Cricket live, Now



https://www.youtube.com/watch?v=iutNW9SFphY
video
https://urlhub.pro/b18641
X)

Sri Lanka National Cricket Team vs Australia National Cricket Team: শ্রীলঙ্কা জাতীয় ক্রিকেট দল বনাম অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দল প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিনে একে অপরের মুখোমুখি হবে। টেস্টে ১০ হাজার রানের গণ্ডি পেরিয়ে ১০৪ রানে অপরাজিত থাকা স্টিভ স্মিথ বুধবার প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে সতীর্থ সেঞ্চুরিয়ান উসমান খোয়াজার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শক্তিশালী শুরুতে সহায়তা করেন।

https://urlhub.pro/b18641

 দুই ম্যাচের সিরিজের শুরুতে গলে সফরকারীরা প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরে বৃষ্টিতে দিনের খেলা বন্ধ হয়ে গেলে অস্ট্রেলিয়া ৮১.১ ওভারে ৩৩০-২ এ পৌঁছে যায়। বাঁহাতি ওপেনার খোয়াজা ১৪৭ রানে এবং অধিনায়ক স্মিথ ১৯৫ রানের অপরাজিত জুটি গড়ে বিকেলের দুটি উইকেটহীন সেশনে প্রতিপক্ষের আক্রমণকে ব্যর্থ করে দেন। মাইলস্টোন ম্যান স্মিথ স্পিনার নিশান পেইরিসের বলে তিন রান নিয়ে চার ম্যাচে তার তৃতীয় সেঞ্চুরিতে পৌঁছান এবং আজকের খেলায় তারা কেমন করেন সেটাই দেখার।

https://www.profitablecpmrate.com/axrkyi03?key=bc8760893e6acd287e899422146ec568

শ্রীলঙ্কা স্কোয়াডঃ দিমুথ করুনারত্নে, ওশাদা ফার্নান্দো, দিনেশ চান্দিমাল, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, কামিন্দু মেন্ডিস, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা (অধিনায়ক), কুশল মেন্ডিস, প্রবাথ জয়াসুরিয়া, লাহিরু কুমারা, বিশ্ব ফার্নান্দো, আসিথা ফার্নান্দো, সাদিরা সামারাবিক্রমা, জেফরি ভ্যান্ডারসে, নিশান পেইরিস, পাথুম নিসাঙ্কা, সোনাল দিনুশা, লাহিরু উদারা, মিলন প্রিয়নাথ রথনায়েকে।

https://www.profitablecpmrate.com/a9ahfyru?key=61f1aab06da496d6dc79f6dfaf1985a9

Sunday, 26 January 2025

৩৪ বছর পর পাকিস্তানে টেস্ট জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের

 পাকিস্তানের হাতে ছিল ৬ উইকেট, দরকার ছিল ১৭৮ রান। কিন্তু ব্যাটসম্যানের জন্য বধ্যভূমি হয়ে ওঠা মুলতান পিচে পুরো ১০ উইকেট নিয়েও এই রান প্রায় পাহাড়সম। আজ পাকিস্তানের শেষ দিকের ব্যাটসম্যানেরা সেই পাহাড় টপকাতে পারেনি। ২০ ওভারের মধ্যে ৫৭ রানে বাকি ৬ উইকেট হারিয়ে মাঠ ছেড়েছে হার নিয়ে।




২৫৩ রান তাড়া করতে নামা পাকিস্তানকে ১৩৩ রানে গুটিয়ে দিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ জিতেছে ১২০ রানে। ১৯৯০ সালের নভেম্বরের পর এই প্রথম পাকিস্তানের মাটিতে টেস্ট জিতল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৩৪ বছর ২ মাস পর পাওয়া যে জয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতাও এনেছে ক্যারিবীয়রা।

আজ ম্যাচের তৃতীয় দিন সকালে দিনের প্রথম আট বলের মধ্যেই আউট হয়েছেন দুই অপরাজিত সৌদ শাকিল ও কাশিফ আলী। ১৩ রান করা শাকিল ক্যাচ দিয়েছেন কেভিন সিনক্লেয়ারের বলে, নাইটওয়াচম্যান হিসেবে আগেভাগে নামা কাশিফ জোমেল ওয়ারিক্যানের বলে।


সপ্তম উইকেটে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও আগা সালমান কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করেছেন। কিন্তু যে উইকেটে স্পিনাররা ইচ্ছামতো বল ‘নাচাতে’ পারেন, সে উইকেটে ব্যাটসম্যানের প্রতিরোধও আর কতক্ষণ!

দক্ষিণ আমেরিকা অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ ৬ গোলের ধাক্কা ভুলে ব্রাজিলের জয়, কলম্বিয়ায় আটকে গেল আর্জেন্টিনা

 দক্ষিণ আমেরিকা অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে আগের ম্যাচে ব্রাজিলের বিপক্ষে ৬-০ গোলের জয়ের পর আর্জেন্টিনার আরেকটি বড় জয়ের অপেক্ষায় ছিল সমর্থকেরা। কিন্তু জয় দূরে থাক, উল্টো কলম্বিয়ার বিপক্ষে হারের শঙ্কায় পড়তে হয়েছে আর্জেন্টাইনদের।

তবে টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেবারিটদের বিপক্ষে শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও শেষ পর্যন্ত কোনোরকমে ১-১ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে আর্জেন্টিনা।
আর্জেন্টিনার ড্রয়ের দিন বড় হারের দুঃখ ভুলে জয়ে ফিরেছে ব্রাজিল। বলিভিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিল জিতেছে ২-১ গোলে।



কলম্বিয়ার বিপক্ষে ড্রয়ের পরও অবশ্য ‘বি’ গ্রুপে শীর্ষেই আছে আর্জেন্টিনা। ২ ম্যাচে ১ জয় ও ১ ড্রয়ে তাদের পয়েন্ট ৪। আর সমান ম্যাচে ১ জয় ও ১ হারে ৪ পয়েন্ট নিয়ে তিনে ব্রাজিল। ১ ম্যাচ খেলে ৩ পয়েন্ট নিয়ে ২ নম্বরে আছে ইকুয়েডর। ব্রাজিলের ঋণাত্মক ৫ গোল ব্যবধানের বিপরীতে ইকুয়েডরের গোল ব্যবধান ‍+১। অন্যদিকে এক ম্যাচের একটিতে ড্র করে চারে আছে কলম্বিয়া এবং দুই ম্যাচের দুটিতে হেরে তলানিতে বলিভিয়া।

ভেনেজুয়েলার ভ্যালেন্সিয়া শহরের মিসায়েল দেলগাদো স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা বল দখলে এগিয়ে থাকলেও সেভাবে সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ৭০ শতাংশ বলের দখল রেখে ৭টি শট নিয়ে মাত্র ৩টি লক্ষ্যে রাখে আর্জেন্টিনা। বিপরীতে ৩০ শতাংশ বলের দখল রাখা কলম্বিয়া শট নেয় ৯টি এবং লক্ষ্যে রাখে ৪টি।

এদিন ম্যাচের প্রথম গোলটা করে কলম্বিয়াই। ৩৩ মিনিটে অস্কার পেরেরা এগিয়ে দেন কলম্বিয়াকে। যদিও এই লিড ৩ মিনিটের বেশি ধরে রাখতে পারেনি তারা। তরুণ তারকা ক্লদিও এচেভেরির গোলে সমতা ফেরে আর্জেন্টিনা। এর আগে ব্রাজিলের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন ম্যানচেস্টার সিটিতে চুক্তিবদ্ধ এই ফরোয়ার্ড।




সমতায় ফিরে ম্যাচের বাকি সময়ও বলের দখলে দাপট দেখায় আর্জেন্টিনা। তবে সুযোগ তৈরিতে আর্জেন্টিনার চেয়ে এগিয়ে ছিল কলম্বিয়াই। আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক সান্তিনো বারবি বাধা হয়ে না দাঁড়ালে এই ম্যাচে হারতেও পারত আর্জেন্টাইন যুবারা। যদিও শেষ পর্যন্ত তেমনটা হয়নি। ১ পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনার কোচ দিয়েগো প্লাসেন্তে বলেছেন, ‘এটা খুব কঠিন ম্যাচ ছিল। বিশেষ করে শারীরিক দিক থেকে। আমাদের খেলতে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে। তারা খুবই ভালো খেলেছে। আর আপনাকে প্রতি ৪৮ ঘণ্টা পরপর ম্যাচ খেলতে হবে, তখন বিষয়টা কঠিন।’ আর্জেন্টিনার পরের ম্যাচ আগামী মঙ্গলবার রাতে বলিভিয়ার বিপক্ষে।

Friday, 24 January 2025

বাংলাদেশে ২০২৪ সালে জলবায়ু সংকটে ৩ কোটি ৩০ লাখ শিশুর শিক্ষা ব্যাহত: ইউনিসেফ

 ২০২৪ সালে চরম আবহাওয়াজনিত ঘটনাবলির কারণে বাংলাদেশের তিন কোটি ৩০ লাখ শিশুর শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। জাতিসংঘের শিশু তহবিল- ইউনিসেফের এক বিশ্লেষণে এই চিত্র উঠে এসেছে।


আজ শুক্রবার ইউনিসেফ বাংলাদেশ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ‘লার্নিং ইন্টারাপটেড: গ্লোবাল স্ন্যাপশট অব ক্লাইমেট-রিলেটেড স্কুল ডিসরাপশন ইন ২০২৪’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বাংলাদেশে আবহাওয়াজনিত শিশুদের শিক্ষায় ব্যাঘাত ঘটনার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। প্রথমবারের মতো এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ইউনিসেফ। এতে দেখা গেছে, বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহ, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও অন্যান্য চরম আবহাওয়াজনিত ঘটনাবলির কারণে দফায় দফায় স্কুল বন্ধ দিতে হয়েছে।

সারা বিশ্বে ২০২৪ সালে তাপপ্রবাহ, ঝড়, বন্যা ও খরার কারণে স্কুল বন্ধ হয়ে ৭৭টি দেশের অন্তত ২৪ কোটি ৭০ লাখ শিশুর শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল ছিল দক্ষিণ এশিয়া।

বাংলাদেশে ২০২৪ সালের এপ্রিল ও মে মাসে দেশজুড়ে তাপপ্রবাহ শিশুদের পানিশূন্যতা (ডিহাইড্রেশন) ও হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি করে, ফলে সারা দেশে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত স্কুলে ছুটি দিতে বাধ্য হয়। মে মাসে ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে বেশ কিছু জেলায় শিশুদের স্কুলে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এরপর জুনে হয় তীব্র বন্যা, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে শিশুদের শিক্ষার ওপর। বন্যায় সারা দেশে প্রায় ১ কোটি ৮৪ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, এর মধ্যে শিশুর সংখ্যা ছিল ৭০ লাখ।

বন্যার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে সিলেট জেলায়। তীব্র বন্যায় সেখানে ব্যাপকভাবে অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে ছয় লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী লেখাপড়া থেকে ঝরে পড়েছে। ইউনিসেফ বাংলাদেশের হিসেবে গত বছর ১২ মাসের মধ্যে জলবায়ুজনিত কারণে সিলেট অঞ্চলে শিশুরা সব মিলিয়ে আট সপ্তাহ পর্যন্ত স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আর খুলনা, চট্টগ্রাম ও রংপুর—প্রতিটি জেলায় শিশুরা ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত স্কুল দিবস হারিয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেছেন, ‘চরম আবহাওয়াজতি ঘটনাবলির তীব্রতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তা বারবার আঘাত হানার প্রবণতাও বেড়েছে। জলবায়ু সংকট এটাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এগুলোর সামগ্রিক প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের শিশুদের শিক্ষার ওপর এবং শিশুরা তাদের শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘চরম তাপমাত্রা ও অন্যান্য জলবায়ুজনিত সংকট শুধু শিশুদের স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রমই ব্যাহত করে না, বরং এর কারণে শিশুদের মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি এবং মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বড় সময় ধরে স্কুল বন্ধ থাকলে শিশুদের—বিশেষ করে কন্যাশিশুদের স্কুল থেকে ঝরে পড়ার সুযোগ বেড়ে যায়, বেড়ে যায় পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কারণে বাল্যবিবাহের ঝুঁকির হার।’

ইউনিসেফের চিলড্রেন’স ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্স (শিশুদের জন্য জলবায়ু ঝুঁকি সূচক) অনুযায়ী, জলবায়ু ও পরিবেশগত সংকটের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের শিশুরা। এসব নিয়মিত দুর্যোগের কারণে দেশে ‘শিখন দারিদ্র্য’ (১০ বছর বয়সেও সহজ কোনো লেখা পড়তে না পারলে অথবা পড়ে বুঝতে না পারলে শিক্ষার্থীর সেই অবস্থাকে শিখন দারিদ্র্য বলে) দিন দিন আরও ব্যাপক হয়ে উঠছে। দেখা গেছে স্কুলগামী শিশুদের প্রতি দুজনে একজন তার ক্লাস অনুযায়ী যতটুকু পড়তে পারার কথা, তা পারছে না, আবার প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার পরও দুই-তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থী মৌলিক গণনা পারে না।  উপরন্তু, অনেক তুখোড় মেধাবী মেয়ে বাল্যবিবাহের শিকার হয়ে স্কুল থেকে অকালে ঝরে পড়ছে। বিশ্বের যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি বাল্যবিবাহ রয়েছে, সেসব দেশের তালিকায় প্রথম ১০টির মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এসব প্রভাব থেকে শিশুদের সুরক্ষার জন্য স্কুল ও শিক্ষাব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও পরিকল্পনার ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে এবং শিক্ষায় জলবায়ুকেন্দ্রিক বিনিয়োগ লক্ষণীয়ভাবে কম।  ইউনিসেফ এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক জলবায়ু খাতে অর্থদানকারী প্রতিষ্ঠান ও দাতাগোষ্ঠী, বেসরকারি খাত ও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি নীতি ও পরিকল্পনায় শিশুদের প্রয়োজনীয়তাগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সংস্থাটি বলেছে, শিক্ষা খাতকে জলবায়ু সহনশীল করে তুলতে অর্থায়ন ত্বরান্বিত করা, যাতে জলবায়ুর অভিঘাত সামলে নিতে সক্ষম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পরীক্ষিত, টেকসই ও কার্যকর সমাধানে বিনিয়োগ করা যায়। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হতে হবে সব শিশুর জন্য নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক। দ্বিতীয়ত, জাতীয় জলবায়ু পরিকল্পনাগুলো নিশ্চিত করতে হবে। এর আওতায় ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন ৩.০ এবং ন্যাশনাল অ্যাডাপটেশন প্ল্যান (জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা) বাস্তবায়ন করতে হবে। সেই সঙ্গে শিশুকেন্দ্রিক জরুরি সামাজিক সেবাগুলো জোরদারকরণ যেমন শিক্ষা, আরও বেশি জলবায়ুর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ও দুর্যোগ সহনশীল হয়ে গড়ে ওঠার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে খারাপ প্রভাব এড়াতে কার্বন নিঃসরণ কমানোর প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। তৃতীয়ত, জলবায়ুকেন্দ্রিক নীতি প্রণয়নপ্রক্রিয়ার সব পর্যায়ে শিশু ও তরুণদের অংশীদারত্ব নিশ্চিত করতে হবে।আহ্বান জানাচ্ছে।

রানা ফ্লাওয়ার্স বলেছেন, ‘বাংলাদেশে শিশুরা পরস্পর–সম্পর্কিত দুটি সংকট- জলবায়ু পরিবর্তন ও ক্রমবর্ধমান শিখন দারিদ্র্য—এর সম্মুখভাগে রয়েছে। এর ফলে তাদের টিকে থাকা ও ভবিষ্যৎ দুটিই হুমকির মুখে পড়ছে। যেহেতু শিশুরা কথা বলছে এবং জলবায়ু সংকটের বিপর্যয়কর প্রভাব মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে, সেহেতু নীতিনির্ধারকদের অবশ্যই তাদের আহ্বানে মনোযোগ দিতে হবে এবং তাদের প্রয়োজনগুলোকে জলবায়ু সংক্রান্ত নীতি ও অর্থায়ন পরিকল্পনাগুলোর কেন্দ্রে রাখতে হবে।’


Thursday, 23 January 2025

ইসলামি দলগুলোকে কাছে টানার চেষ্টা বিএনপির

 আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২৫, ০৩: ৪৬



ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে ধর্মভিত্তিক ইসলামি দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি। ইসলামি দলগুলোকে কাছে টানার চেষ্টার অংশ হিসেবে গতকাল বুধবার খেলাফত মজলিসের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেছে দলটি। সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, আগামী জাতীয় নির্বাচন এবং ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান–পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়। পর্যায়ক্রমে আরও দলের সঙ্গেও বৈঠক হতে পারে।

একসময় বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের শরিক ছিল খেলাফত মজলিস। ২০২১ সালের অক্টোবরে একটি ‘বিশেষ প্রেক্ষাপটে’ তারা জোট ছেড়ে যায়। তিন বছর পর গতকাল দল দুটির শীর্ষ পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক বৈঠক হলো। এই বৈঠকে বিএনপির পক্ষে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আবদুল বাছিত আজাদ ও মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদেরের নেতৃত্বে দলটির নয়জন নেতা বৈঠকে অংশ নেন।

আমরা ইসলামি দলগুলো কাছাকাছি আসার চেষ্টা করছি। এটা তারই অংশ। যদিও বৈঠকটি ছিল সৌজন্যমূলক। জামায়াত আমিরের বরিশালে কর্মসূচি ছিল। তবু দুই দলের আমিররা বৈঠক করেছেন, একসঙ্গে প্রেস ব্রিফিং করেছেন। এর একটা তাৎপর্য আছে। আমরা এটাকে শুভসূচনা বলেই মনে করি।
ইসলামী আন্দোলনের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান

 বিএনপি তার পুরোনো জোটসঙ্গী খেলাফত মজলিসের সঙ্গে এমন সময় বৈঠক করল, যখন এক দিন আগে গত মঙ্গলবার জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বরিশালে চরমোনাইয়ের পীর ও ইসলামী আন্দোলনের আমির সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সেখানে তাঁরা মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন। অবশ্য বরিশালে জামায়াতের আমিরের দলীয় সমাবেশ ছিল। এর ফাঁকে তাঁরা চরমোনাইতে মিলিত হন। যদিও ইসলামপন্থী এ দুটি দলের মধ্যে আদর্শিক বিরোধ রয়েছে। ৫ আগস্টের পর দল দুটিকে পরস্পরের প্রতি নমনীয় দেখা যায়। এর মধ্যেই জামায়াতের কোনো আমির ও বা শীর্ষ পর্যায়ের নেতা প্রথমবারের মতো চরমোনাইয়ের পীর বাড়িতে আতিথেয়তা নিলেন। পরস্পর বৈরী দল দুটির এই সম্পর্কোন্নয়নকে আগামী নির্বাচন ও ভবিষ্যৎ রাজনীতির ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে ইসলামী আন্দোলনের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান গতকাল বুধবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা ইসলামি দলগুলো কাছাকাছি আসার চেষ্টা করছি। এটা তারই অংশ। যদিও বৈঠকটি ছিল সৌজন্যমূলক। জামায়াত আমিরের বরিশালে কর্মসূচি ছিল। তবু দুই দলের আমিররা বৈঠক করেছেন, একসঙ্গে প্রেস ব্রিফিং করেছেন। এর একটা তাৎপর্য আছে। আমরা এটাকে শুভসূচনা বলে মনে করি।

গতকাল খেলাফত মজলিসের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক শেষে জামায়াতের আমির ও ইসলামী আন্দোলনের আমিরের বৈঠকের বিষয়টি ব্রিফিংয়ে সামনে আনেন সাংবাদিকেরা। এ বিষয়ে তাঁরা বিএনপির প্রতিক্রিয়া জানতে চান। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বিভিন্ন দলের সঙ্গে লিয়াজোঁর দায়িত্বে থাকা নেতা নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘বাংলাদেশে যাঁরাই রাজনীতি করেন, তাঁরা তাঁদের রাজনীতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য যাঁদের সঙ্গে মতের মিল হবে, তাঁদের সঙ্গে কাজ করার চিন্তা করতে পারেন, সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এ নিয়ে কারও কোনো দুশ্চিন্তা থাকার তো কোনো কারণ নেই।’

নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘একসময় এক দল আরেক দলের বিরোধিতা করেছে, সমালোচনা করেছে, আবার আন্দোলনের একপর্যায়ে তারা একমত হয়েছে। এতে অস্বাভাবিক কী আছে! আজকে যারা একমত, কালকে তারা একমত না-ও হতে পারে। তাতে অবাক হওয়ার কী আছে! কাজেই এ বিষয়গুলো নিয়ে দুশ্চিন্তার বা মন্তব্য করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। তারা (জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন) তাদের রাজনৈতিক বিশ্বাস থেকে যা উচিত মনে করবে, নিশ্চয়ই তা করবে।’

অবশ্য চরমোনাইয়ের পীরের সঙ্গে এ বৈঠকটিকে ‘চূড়ান্ত কিছু নয়’ বলে মন্তব্য করেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি গত রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েই গিয়েছি (চরমোনাইয়ের পীর), তাঁরাও আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছেন। এটা চূড়ান্ত কিছু নয়, আমরা সমঝোতায় এসে গেছি—এ রকমও নয়। বিষয়টি আমরা ইতিবাচকভাবে দেখছি, তাঁরাও ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন।’


কাশিমপুর কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত ১২৬ বিডিআর সদস্য

 প্রতিনিধি

গাজীপুর


বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার আসামিদের মধ্যে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা ১২৬ জন বন্দী মুক্তি পাচ্ছেন। এর মধ্যে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-১-এ ২৪ জন, কারাগার পার্ট-২-এ ৮৯ জন এবং হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন ১৩ জন।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে পর্যায়ক্রমে তাঁদের জামিনে মুক্তি দেওয়া শুরু হয়েছে। বন্দীদের মুক্তির খবরে কারাফটকে ভিড় করেছেন স্বজনেরা।

কেরানীগঞ্জ ও কাশিমপুর কারাগারে গতকাল বুধবার বিস্ফোরক মামলার ১৭৮ আসামির জামিননামা পাঠানো হয়। সেসব জামিননামা যাচাই-বাছাই শেষে অন্য কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকার শর্তে বন্দীদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, ২০ জানুয়ারি বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় করা বিস্ফোরক মামলায় জামিন পেয়েছেন হত্যা মামলায় খালাসপ্রাপ্ত ও যাঁদের বিরুদ্ধে কোনো আপিল হয়নি এমন দুই শতাধিক আসামি। কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়ার অস্থায়ী আদালত তাঁদের এই জামিন দেন।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। ওই ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় খালাস বা সাজাভোগ শেষে বিস্ফোরক মামলার কারণে ৪৬৮ জনের মুক্তি আটকে আছে।

হত্যা মামলায় ৮৫০ জনের বিচার শেষ হয় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর। যেখানে ১৫২ জনের ফাঁসি ছাড়াও ১৬০ জনের যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া খালাস পান ২৭৮ জন।

কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারের জেল সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, বন্দীর সংখ্যা একটু বেশি, তাই তাঁদের বের হতে কিছুটা সময় লাগছে। কারাগার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তাঁদের জমা রাখা মালামাল বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে।


চট্টগ্রাম কিংস বনাম সিলেট স্ট্রাইকার্সের খেলায় একনজরে বিপিএল ২০২৫

https://www.profitablecpmrate.com/j2jvvq1a?key=d61fe2b77b726e73055b91c7a2ac68a2  চট্টগ্রাম কিংস বনাম সিলেট স্ট্রাইকার্সের খেলায়  একনজরে বিপি...